DIGITAL

October 6, 2022

APTCE 18538973148

বিক্রমপুর সমবায় সমিতির কেলেঙ্কারির তদন্ত রহস্য উন্মোচন হবে কি? অভিমত

বিপ্লব কর চৌধুরীর প্রতিবেদন 22 শে সেপ্টেম্বর বি হাড়া বাজার— গতকাল কাছাড় জেলার অসামরিক খাদ্য সরবরাহ বিভাগের তিন আধিকারিক যথাক্রমে পরিদর্শক রাজীব দাস, দিব্য জ্যোতি পাঠক,  মীনাহোসেন প্রমুখ বিক্রমপুর সমবায় সমিতির কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত করতে আসলে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে রবীন্দ্র নারায়ণ আচার্য, কংগ্রেস নেতা বিশাল সরকার  এই সমবায় সমিতিতে কি ভাবে দূর্নীতি চলছে  তা নিয়ে সরব হন । তাদের মতে করোনা সংক্রান্ত বিধি নিষেধ কে হাতিয়ার করে এই সমিতিতে দেদার দূর্নীতি সংঘটিত হয়েছে ।কেঁচো কুড়াইতে গিয়ে যেন সাপ বেরিয়ে আসলো । সাধারণ গ্রাহকদের এসব  অজানা ছিলো ,যে আসাম সরকার সমবায় সমিতিতে জনগনের জন্য আটা, লবন , চানা ও গো খাদ্য ভূষি পর্যন্ত বরাদ্দ করেন  । শুধু চাউল দিয়ে গ্রাহকদের সন্তুষ্ট থাকতে হয় ।

সংবাদে প্রকাশ অন্যান্য সমবায় সমিতির মতো এই সমিতিতে বছরে এক  মাসের বরাদ্দ সামগ্রী আত্মসাৎ করা হয়, এখানে ও আগষ্ট মাসের চাউল বন্টন হয়নি ।এসবের মধ্যে আসল কথা ফাঁস হয়ে গেছে , সূত্রের মতে প্রতি মাসে সরকারের বরাদ্দকৃত গন বন্টন সামগ্রী ঠিকাদারের মাধ্যমে প্রতিটি সমবায় সমিতিতে পাঠানো হয় , তবুও গ্রাহকদের ঘাড় থেকে পরিবহণ খরচ  এক কেজি করে কাটা হয় , করোনা সংক্রমণের ফলে সরকার আগামী কালী পুজো পর্যন্ত মাথা পিছু পাঁচ কেজি করে অন্ন যোজনা র চাউল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে , কিন্তু সমবায় সমিতি গুলো এই পাঁচ কেজি চাউল থেকে মাথা পিছু তিন কেজি করে কেটে নেয় , অভিযোগ করলে ভারতীয় খাদ্য নিগমের উপর দোষ বর্তানো হয় । এতসব কেলেঙ্কারি লিখিত ভাবে করেন ডিলার গন, একবারও কি ভেবেছেন যে তাদের আইডেন্টিটি খাতায় সব বরাদ্দকৃত সামগ্রী লিখে দেওয়া হয়েছে ?

গতকালের  তদন্ত নিয়ে জোরদার সমালোচনা শুরু হয়েছে , বিভাগীয় কর্তারা এই সমিতির বরাদ্দকৃত সামগ্রী নিকট বর্তী সোনা পুর সমবায় সমিতিতে যুক্ত করে দিয়ে শাক দিয়ে মাছ ধরার চেষ্টা করেছেন বলে সচেতন মহল মনে করছেন , তাদের মতে সামাজিক মাধ্যমে এই সমিতির কেলেঙ্কারি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন চন্দ্র নাথ  পূরের জনসাধারণ , আর সেখান থেকে যে আমরা পরিত্রাণ পাবো সেটা সন্দেহের আবর্তে বলে মনে করছেন । গতকালের তদন্তে যে তিন জন আধিকারিক এসেছিলেন তাদের হাব ভাব দেখে উপলব্ধি হয়েছে যে তারা এই কেলেঙ্কারি কে ধামাচাপা দিতে এসেছিলেন । এদিকে বসে নেই বেশ কিছু সংগঠনের কর্মীরা। তাদের অভিযোগ ডিলারদের খাতা ও গ্রাহকদের খাতা তে ব্যাপক  গরমিল পরিলক্ষিত হয়েছে , তাই নিরপেক্ষ ভাবে তদন্তের প্রয়োজন , তারা মূখ্য মন্ত্রীর Vigilance cell , আসাম পুলিশের মহা পরিদর্শকের দেওয়া দূর্নীতি দমন শাখা সহ কাছাড় জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে এই বিশাল গন বন্টন কেলেঙ্কারি র সি আই ডি তদন্তের জন্য আজ স্মারকলিপি পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন বেশ কিছু সমাজ কর্মী ও রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা ।এই প্রতিবেদক আরো ও জানিয়েছেন সরবরাহ বিভাগের আধিকারিক , সমবায় সমিতির আধিকারিক, জেলা প্রশাসনের সরবরাহ বিভাগের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক এসব কি জানেন না ? এধরনের মন্তব্য করতে গতকাল শুনা গেছে , এক কথায় সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সামগ্রী লুণ্ঠন নিয়ে দিল্লী দিস পুর পর্যন্ত অভিযোগ পৌঁছবে বলে মনে হচ্ছে ।