DIGITAL

October 6, 2022

APTCE 18538973148

বাংলাদেশের ওয়াজ মহফিলে কোরান ছেড়ে পুরান নিয়ে আলোচনা হয় কেন? উঠেছে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিবেদন 14 ই নভেম্বর শিলচর—– মুজিবের বাংলাদেশ আজ আর নেই , সেখানে ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে তথাকথিত মৌলানা গন আল্লার কোরান শিকেয় তুলে রেখে তাদের মনগড়া  তথাকথিত মোল্লার কোরান কে সামনে রেখে যেসব ওয়াজ  অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় তাতে হিন্দু ধর্মের বেদ, গীতা পুরান নিয়ে বিদ্রূপ ও বিকৃত করে যে যেভাবে পারছে ইসলাম ধর্মের মার্কেটিং করছে ।

আসলে পবিত্র কোরআন শরীফ আহরণ করতে পারলে কোন প্রকৃত মুসলমান অসৎ কর্মে লিপ্ত হতে পারে না, শান্তির ধর্ম বলে কথিত কোরান শরীফের মধ্যে মানবতা কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে , তাই তো ইসলাম ধর্ম কে একদা যে ভাবে শান্তির ধর্ম বলা হতো আজ একাংশ মৌলানা নামধারী সেই শান্তির ধর্ম কে অশান্তি করে তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ।বিশেষ করে বর্তমান তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেটাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে।

আমার আত্মীয় স্বজন এখনও সিলেট জেলায় আছেন , আমি বছরে দুই  বা র যাতায়াত করি , যেহেতু বাংলাদেশের আটানব্বই শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী, সেখানে ওয়াজ অনুষ্ঠান ঘটা করেই অনুষ্ঠিত হয় । আমি পূর্বে তাদের এখানের ওয়াজ শুনেছি তখন পবিত্র কোরআন শরীফ নিয়ে আলোচনা করা হতো যাতে সবাই কোরানের নির্দেশিকা মেনে চলে। আর এখন যেসব মৌলানা ওয়াজ করেন তারা মহান আল্লাহর কোরান কে একপেশে রেখে শুধু মাত্র ইসলাম ধর্ম সবার শ্রেষ্ঠ বলে মার্কেটিং করতে গিয়ে যে ভাবে হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ থেকে শ্লোক আওড়ান তা পবিত্র কোরআন শরীফের পরিপন্থী বলে পরিলক্ষিত হচ্ছে ।এসব উচ্চারন করা একজন প্রকৃত মুসলমানের কবিরা গুনাহ র সামিল । আসলে ওরা এতো ধর্মান্ধ হয়ে গেছে যে ওরা কি বলছে তারা নিজেরাই জানেনা, আর অশিক্ষিত মানুষ তাদের কথায় হাততালি দিয়ে তাদেরকে সমর্থন করে নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে। আর এইসব মৌলানা দের সংকীর্ণতা ইউটিউবে আপলোড করে প্রচার করে নিজের ধর্মের প্রতি অন্যন্য দের ঘৃনা যে সৃষ্টি হয় তার খবর কি রাখে কেউ?  সংগৃহীত ফটো তে কি লেখা আছে , যে বলছে সে কতটুকু মূর্খ তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা, কোথায় আছে দেখাতে পারবে ? আরেকটা মৌলানা বলছে চণ্ডী তে নাকি প্রতি মন্ত্রের পর লাই লাহা —–বলতে হয় , আরেকটা মৌলানা বলছে সেদিন ভবিষ্য পুরানে হজরত মুহাম্মদের কথা বলা হয়েছে , তাই সব হিন্দু মুসলমান । আসলে ভবিষ্য পুরানে কি বলা হয়েছে সেখানে মোহাম্মদ কে যে ভাষায় ভূষিত করা হয়েছে তা প্রকাশ করলে অনেকেই মনে  আঘাত পাবেন ।আরেক মহা আলেম জাকির নায়েক উনি তো মার্কেটিং এ ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। উনি বেদে ইলা শব্দ দেখে তার অর্থ না জেনেই বেদের মধ্যে মহান আল্লাহ কে বসিয়ে দিয়ে সমগ্র বিশ্ব কে মুসলিম জাহান বানাতে চাইছেন , তাই কোন প্রকৃত মুসলমান আল্লার কোরান ছাড়া অন্য ধর্মের ধর্ম গ্রন্থ নিয়ে আলোচনা করতে চান না , বাকি রা তো দিব্যি আল্লার কোরান ছেড়ে মোল্লার কোরান নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেছেন ।

বাংলাদেশ থেকে যেভাবে কতিপয় মৌলানা হিন্দু ধর্মের ধর্ম গ্রন্থ নিয়ে বিদ্রূপ করছেন অবিলম্বে সেই দেশের প্রকৃত মুসলমান দের উচিত প্রতিবাদ করা অবশ্যই জনৈক আবদুল সামাদ  ইউটিউবে বাংলাদেশের আটানব্বই শতাংশ এই ধরনের ওয়াজ মোল্লা গন কাফের  ও মুশকিল রিক বলে অভিহিত করেছেন । এসবের পরিণতি ধবংসের আগাম সংকেত দেয়।