DIGITAL

October 5, 2022

APTCE 18538973148

অস্বিত্ব হীন হয়ে পড়েছে কাঠিগড়া বিধানসভা সমষ্টির বেশ কিছু গ্রাম, সরকার ও সংগঠনের নেতারা শহর নিয়ে ব্যস্ত – অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদন কাঠিগড়া ২৯ শে জুন —- দ্বিতীয় বার বন্যার কবলে বিশেষ করে শিলচর শহরের খোল নালছে পাল্টে দিয়েছে, শিলচর শহরের এমন কোনো এলাকা নেই যে বন্যার জল ঢুকে নি। স্বভাবতই শহরের মানুষ বন্যার কবলে পড়ার অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে কিন্তু এবারের বন্যার কবলে পড়ে জলবন্দি জীবন যাপন করছেন তা তাদের কাছে ইতিহাস হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন একাংশ জলবন্দি মানুষ। পাঠশালা তে পড়ানো হয়েছে জলের অপর নাম জীবন, কিন্তু এই জল যে মরন ফাঁদে পরিণত হতে পারে তা এবার হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া গেল।

গতকাল বন্যা প্লাবিত শিলচর শহরের মানুষ কি বিভিষিকা ময় জীবন যাপন করছেন তা পরিলক্ষিত হয়েছে, পার্শ্ব বর্তী মনিপুর ও  মিজোরামের সরকার যথাসাধ্য ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বসে নেই আসাম সরকার, অতিরিক্ত ভাবে বরাক উপত্যকার প্রতিটি বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন দল ও সংগঠনের কর্মীরা বিশেষ করে পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে দেখা গেছে। এককথায় শিলচর শহর এলাকা নিয়ে সরকার ও সংগঠনের কর্মীদের দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়ে গেছে। অন্যদিকে শিলচর শহরের পর দ্বিতীয় বন্যা প্লাবিত এলাকা হচ্ছে কাঠিগড়া বিধানসভা এলাকার হাওর অঞ্চল।

এই এলাকার চিকার কান্দি,হিলুয়া টিলা,সালিমা বাদ,খেলমা নরপতি গ্রাম গুলির অস্থিত্ব নেই বললেই চলে, আজ যখন সবাই শহরের খবর সংগ্রহ করতে দৌড়ঝাঁপ করছেন ঠিক সেই  সময়ে এই প্রতিবেদক উপরোক্ত গ্রাম গুলির খবর নিতে গেলে দেখতে পান দুই একটি ঘরের ছানি জানান দিচ্ছে যে আমরা ছাড়া সব ঘর জলের তলায় চলে গেছে। একাংশ মানুষ নিজের ঘরের চালের টিন খুলে ছাদের মধ্যেই সন্তান সন্ততি নিয়ে জীবন যাপন করছেন। অন্যত্র চলে গেছেন অনেক মানুষ।তারা এই প্রতিবেদক কে বলেন সরকার হারাঙ ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের এই অঞ্চল কে কৃত্রিম জলাশয় সৃষ্টি করে দিয়েছে এই জমাকৃত জল নিষ্কাশন করা না হলে  আমাদের বাঁচার স্বপ্ন নেই।তারা আরও বলেন যে স্লুইসগেট খোলার কোনো ধরনের তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না।সুরমা নদীর জল স্তর কমেছে কিন্তু অকেজো স্লুইসগেট গেট খোলা সম্ভব হচ্ছে না, এমতাবস্থায় আরও কতদিন জলের তলায় বসবাস করবেন তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

জনৈক জলবন্দি মানুষ এই প্রতিবেদক কে বলেন আমাদের কাঠিগড়া এলাকার বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নেতারা যে ভাবে শহরের বন্যা প্লাবিত এলাকা তে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তারজন্য ধন্যবাদ জানান  তাদেরকে ,তারা অখুশি নন কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় উপরোক্ত গ্রাম গুলির মানুষের জন্য এখন পর্যন্ত সরকার ও সংগঠনের দৃষ্টি নিবদ্ধ কেনো হচ্ছে না তা নিয়ে রীতিমতো খেদ প্রকাশ করেছেন এই এলাকার জলবন্দি মানুষ। অবিলম্বে স্লুইসগেট গেট খুলে দিয়ে জলবন্দি জীবন থেকে নিস্তার পেতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এইসব এলাকার মানুষ।