DIGITAL

October 4, 2022

APTCE 18538973148

বরাকের ৯০% হিন্দু বাঙালি বিজেপি মূখী, হিমন্ত ক্যারিশমা বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন নিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবী গন

বিশেষ প্রতিবেদন ১৯ শে জুলাই শিলচর — বরাক উপত্যকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কমিটি  যত  গঠন করা হোক না কেন তাতে ৯০% হিন্দু বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষদের যোগদান সিন্ধু তে বিন্দুর মতো ঘটনা বলে মনে করছেন সচেতন মহল।এখন পর্যন্ত বরাক উপত্যকার হিন্দু মুসলমান সম্প্রদায়ের অনুপাত ৫২% ও ৪৮% অর্থাৎ মুসলমান সম্প্রদায়ের চাইতে ৪% হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বেশী। এমতাবস্থায় আসামের চাণক্য সম মূখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা মহাশয় যত দিন শাসন ব্যবস্থা ধরে রাখবেন ততদিন এখানে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের উত্থান অসম্ভব বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সুত্রে জানা গেছে এখন পর্যন্ত বরাক উপত্যকায় তৃণমূল কংগ্রেস,আম আদমি পার্টি,অসম গন পরিষদ ও অখিল গগৈর কৃষক মুক্তি সংগ্রাম  দল তাদের দলের বিস্তার করতে যে সব জেলা কমিটি গঠন করেছেন  তাতে দেখা গেছে হিন্দু বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষদের যোগদান অতি নগণ্য। আর তাতে দেখা গেছে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের উপচে পড়া যোগদান।আর এটাকে  বিচক্ষণ মূখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা লুফে নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের  বিশেষ করে বাংলা ভাষী হিন্দু দের অন্তরে এক বিশেষ ছাপ ফেলতে সক্ষম হয়েছেন।আর এটাই স্বাভাবিক ধর্মীয় ভাবাবেগের উপর রাজনৈতিক প্রলেপ দিয়ে বর্তমান ভারতের রাজনীতি চলছে।

আজ বেশ কিছু হিন্দু বাঙালি বুদ্ধিজীবী দের সাথে বর্তমান আসামের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিজেপি দলের বিকল্প হিসেবে কোন রাজনৈতিক দল কে খাড়া করা যায় তা নিয়ে আলোচনা শুরু করলে সবাই বলেন আসামে বিজেপি দলের বিকল্প নেই বললেই চলে, কেননা বিজেপি দলের বরাক উপত্যকার ভোট ব্যাংক হিন্দু বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষ, ধর্মের ভেকসিন ও দেশ বিভাগের স্মৃতি রোমন্থন করে এমনভাবে এই হিন্দু বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষদের মগজ ধোলাই করা হয়েছে,ওরা বিজেপি ছাড়া কোনো কিছু বোঝার চেষ্টা করেন না।৯০% হিন্দু বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষ আজকের এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

এখানে উল্লেখ্য যে সম্প্রতি বরাক উপত্যকায় তৃণমূল কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি, অসম গন পরিষদ ও অখিল গগৈর কৃষক মুক্তি সংগ্রাম দল তাদের দলের জেলা কমিটি গঠন করেছেন তাতে স্পষ্ট হয়ে গেছে হিন্দু বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষ ১০% ও সায় দিচ্ছেন না। এমতাবস্থায় আসামের চাণক্য সম মূখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা মহাশয়ের শাসনামলে হিন্দু বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষ রাম রাজ্যে প্রবেশ করেছেন বলে বিরোধী দলের নেতাকর্মী গন কে ও বলতে শুনা যাচ্ছে।