DIGITAL

October 5, 2022

APTCE 18538973148

১৫ বছর পূর্বের দুই সেনাপতি দুই মেরুতে,একজন মূখ্যমন্ত্রী অন্যজন বিরোধী দলের বিধায়ক —

বিশেষ প্রতিবেদন ১৭ ই আগস্ট শিলচর —- ১৫ বছর পূর্বে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত তরুণ গগৈ যে কোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তাঁর দুই বিশ্বস্ত সেনাপতি কে নিয়ে পরামর্শ করতেন এবং তাদের কে ডানে বায়ে বসিয়ে ঘোষণা দিতেন।আর এটা প্রায় এক প্রকার নিয়মে পরিণত হয়েছিল। এভাবেই এক নাগাড়ে ১৫ বছর  প্রয়াত তরুণ গগৈ রাজ্য চালিয়ে ছিলেন।

রাজনৈতিক পটভূমি তে ক্ষমতাই শেষ কথা,সেই মতো দিল্লীর রাজনীতির পট পরিবর্তনের পর আসামে ও তার প্রভাব বিস্তার করে।সেই সুবাদে তরুণ গগৈ সরকারের অতি বিশ্বস্ত সেনাপতি হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বিজেপি দলের গেরুয়া বসন পরে নেন। বিচক্ষণ হেমন্ত বিশ্ব শর্মা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে এগিয়ে যেতে যেতে প্রথম বারেই বিজেপি দলের সরকার গঠন করে দিলেন আসামে এবং  সর্বানন্দ সানোয়াল কে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে গদীতে বসিয়ে দেন। এখানে উল্লেখ্য যে পোড়খাওয়া রাজনৈতিক নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বকলমে মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন বললেও অত্যুক্তি হবে না।

এরমধ্যেই হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বিজেপি দলের উত্তর পূর্বাঞ্চলের এক বিশেষ নেতা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে গেলেন, বিজেপি দলের কেন্দ্রীয় কমিটি সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চলের দলের গুরুদায়িত্ব চাপিয়ে দিয়ে তাঁকে আহ্বায়ক নিযুক্ত করা হয় সেই দায়িত্ব পালন করে সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য গুলিতে পদ্ম ফুলের বীজ বপন করতে সক্ষম হন, তিনি ছাত্র নেতা থেকে বিধায়ক তারপর তরুণ গগৈ সরকারের ১৫ বছর মেয়াদের সরকারের মন্ত্রীর অভিঞ্জতা নিয়ে   নির্বাচন লড়িয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দিল্লীর বিজেপি সরকার কে উপহার প্রদান করেন, ফলস্বরূপ দিল্লীর বিজেপি সরকার হিমন্ত বিশ্ব শর্মা কে মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে আসামের গদীতে বসিয়ে দেন।

বিচক্ষণ ও চাণক্য সম মূখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা শাসন ভার গ্রহণ করে এমন সব পদক্ষেপ হাতে নিলেন যা সমগ্র ভারতে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এদিকে সাধারণ মানুষ ও তাঁর কল্যান মূলক প্রকল্প নিয়ে রীতিমতো উৎফুল্লতা প্রকাশ করেছেন।একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করা চাট্টিখানি কথা নয়, অন্যদিকে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের প্রতিবাদের মোক্ষম জবাব দিতে হয় একা মূখ্যমন্ত্রী কে,তাই বছর পেরিয়ে যেতেই ১৫ বছর পূর্বের সরকারের আমলে যেভাবে দুই জন মূখ পাত্রের প্রয়োজন হয়েছিল ঠিক সেভাবেই তিনি ও জুতসই দুই বিশ্বস্ত সেনাপতি একজন পীযুষ হাজারিকা ও অন্য জন জয়ন্ত মল্ল বরুয়া কে নিযুক্ত করেন। তাদের কে নিয়ে যে ভাবে বিভিন্ন কল্যান মূলক প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তা  সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন হলে তিনি ও  ১৫ বছর মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে আসামের গদীতে আসীন থাকবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন সচেতন নাগরিক মহল। দুই বিশ্বস্ত সেনাপতি উপযুক্ত বলে আপাতত পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।