DIGITAL

December 5, 2022

APTCE 18538973148

সদ্য সংঘটিত মেঘালয়ের ঘটনা নিয়ে জোরদার প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সর্বত্র — রাজনৈতিক দলের নেতারা নীরব কেনো?

বিশেষ প্রতিবেদন ,৫ ই নভেম্বর শিলচর —- গত ২৮ শে অক্টোবর ও ২৯ শে অক্টোবর মেঘালয়ের ধান খেতি এলাকা থেকে যে মিছিল বের হয়েছিল এবং পরবর্তীতে এই মিছিল যে জাতি বিদ্বেষী রূপ ধারণ করেছিল তার জন্য সরাসরি দায়ী তৎকালীন সময়ের অ উপজাতি সাংসদ ও বিধায়ক গন।সন ১৯৭২ যখন অবিভক্ত আসাম রাজ্য থেকে ৭ সাতটি রাজ্য গঠন করা হয় তখন কিসের ভিত্তিতে রাজ্য পুনর্গঠন কমিটি এই রাজ্য গুলি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা নিয়ে তৎকালীন সময়ের অ উপজাতি সাংসদ ও বিধায়ক গন দিবা নিদ্রায় শায়িত ছিলেন কি? এমনটাই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে জোরালো চর্চা শুরু হয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য যে অবিভক্ত আসাম রাজ্য থেকে যখন ৭ টি রাজ্য গঠনের জন্য রাজ্য পুনর্গঠন কমিটির সদস্য গন যখন   বৈঠকে বসেন তখন তারা ভাষা ও জন গোষ্ঠীর পরিচয়ে রাজ্য গঠনের পক্ষে সীল মোহর এঁটে দেন। ফলে মিজোরাম মিজোদের, নাগাল্যান্ড নাগা দের, মনিপুর মনিপুরী দের অরুণাচল অরণা চলী দের, মেঘালয় খাসি দের রাজ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যায়। এদিকে আসাম ও ত্রিপুরা বাকী ছিল,তা ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের ছাত্র সংগঠনের সম্মিলিত নেসো নামের সংস্থা তা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে,আর এই নেসোর উস্কানিমূলক বক্তব্যে ও পরামর্শ অনুসরণ করে উপজাতি ছাত্র সংগঠন গুলো অ উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের একটা কথা আমাদের রাজ্যে আমরা বাস করব এখানে অন্য দের বসবাস করার অধিকার নেই। যেমনটা মেঘালয়ের বিভিন্ন খাসি সংগঠনের সদস্যরা রাজপথে নেমে পোষ্টার এটে  পরিস্কার বলে  বাংলাদেশী হঠাও।আগে ও এভাবে দেখা গেছে এবার ও সেই মনোভাব পোষণ করেছে খাসি সংগঠনের সদস্যরা।

এখানে উল্লেখ্য যে সব খাসি জনসাধারণ এই জাতি বিদ্বেষী মনোভাব পোষণ করে না, একাংশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বিভিন্ন দুষ্ট চক্রের মদতে ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের প্রশ্রয়ে এই ধরনের তৎপরতা চালায় বলে জানিয়েছেন একাংশ সচেতন উপজাতি নাগরিক গন। তাদের মতে এই ধরনের ঘটনা আখেরে উপজাতি দের জন্য অভিশাপ হয়ে উঠবে, কেনোনা আজ যে সকল উপজাতি যুবক মারমুখী হয়ে অ উপজাতি দের উপর ঝাপিয়ে পড়ল তাদের ও ভাবা উচিত ছিল যে খাসি জনসাধারণ ভারতের অন্যান্য রাজ্যে হয়তো বা পড়াশোনা বা চাকরি বা স্থায়ী ভাবে বসবাস করছে তাদের উপরে হয়তো বা বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে,তার জন্য দায়ী কে হবে? এসব নিয়ে মেঘালয়ের বিশিষ্ট খাসি বুদ্ধিজীবী গন ভাবতে ভাবতে শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

গত দুই দিনের জাতি বিদ্বেষী আন্দোলন নিয়ে বরাক উপত্যকার বি,ডি এফ ও বাঙালি নব নির্মাণ সেনা তীব্র প্রতিবাদ শুরু করেছে। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় নি। বিশেষ সুত্রে জানা গেছে বরাক উপত্যকায় ও বংশ পরম্পরায় হাজার হাজার খাসি জনসাধারণ বসবাস করে আসছেন কিন্তু তাদের প্রতি তো কোন বৈষম্য হচ্ছে না, এদিকে বরাক উপত্যকার বিভিন্ন স্থানের  মিশনারী স্কুল গুলোতে খাসি ছাত্র ছাত্রী পড়াশোনা করছে , কোনো দিন তো মেঘালয়ের অ উপজাতি নির্যাতনের বিরুপ প্রভাব এদের উপর পড়েনি। এসব নিয়ে জোরদার চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকেই বলেছেন ধৈর্য্যের বাঁধ ধীরে ধীরে যে ভাঙবে তার একটা আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সচেতন  মহল থেকে মেঘালয় সরকারের কাছে সদ্য সংঘটিত জাতি বিদ্বেষী ঘটনার নিন্দা  জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন একাংশ সচেতন নাগরিক।