DIGITAL

February 5, 2023

APTCE 18538973148

জমি জায়দাদ কেনা বেচা করতে রাজ্য সরকারের নূতন ফরমান , বিপাকে পড়বেন ক্রেতা

নিজস্ব সংবাদদাতা শিলচর ৪ ঠা জানুয়ারি —- এক দফা ,এক দফা করে করে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আসাম পার্বত্য রাজ্যের দিকে তে এগোচ্ছে তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই। সম্প্রতি আসাম সরকার কর্তৃক এক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সেই নির্দেশিকার শেষ কলামে বর্ণিত হয়েছে যে নূতন বছর থেকে যে সব ক্রেতা জমি বাড়ি কিনতে চান তাদের বাপ ঠাকুর দার নাম ১৯৬৫ সালের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে হবে এবং এই ভোটার তালিকায় থাকা নামের প্রত্যায়িত কপি অনুমতি ফর্মের সাথে জমা দিতে হবে। অর্থাৎ এই তালিকায় নাম থাকা একান্ত আবশ্যক।

এখানে উল্লেখ্য যে আজ এক দশক ধরে যে বা যারাই জমি জায়দাদ ক্রয় করেছেন তাদের অনুমতি পত্রের দুই পৃষ্ঠার শেষ দিকে দুটি কলাম কেউই এমন দেখেন নি বা দেখার ও চেষ্টা করেন নি। এবারের নির্দেশিকা এক রকম আগের নির্দেশিকার ২২ ও ২৬  নং কলামে বর্ণিত হয়েছে যে আজ জেলা শাসক যে অনুমতি প্রদান করেছেন তা ভবিষ্যতে যদি ক্রেতা কোনো কারণে বিদেশি বলে প্রমাণিত হন তাহলে সম্পাদিত দলিল বাতিল করা হবে এবং সরকার কর্তৃক জমি অধিগ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ বিদেশি নাগরিক ভূমি ক্রয় করতে পারবেন না। মোদ্দা কথা আসাম রাজ্যে ভূমির অধিকার শুধু ভূমি পুত্র দের জন্য সংরক্ষিত করার জন্য এই ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

জনৈক সমাজ সেবী আজ এই প্রতিবেদক কে বলেন যে একদা বাঙালি জাতি বুদ্ধিমান হিসেবে বিবেচিত হতেন আর এখন বিশেষ করে আসামের বাঙালি বুদ্ধিমানের তকমা ঝেড়ে ফেলে শুধু জিন্দাবাদ আর জয় দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন ১৯৬৫ সালের ভোটার তালিকা ১৯৫১ সালের জনগণনার হিসেবে তৈরি করা হয়েছে অর্থাৎ ১৯৬৫ সালের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত মানুষ আসামে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হবেন যা কিনা আসাম চুক্তির ৬ নং ধারায় পরিস্কার ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় আমাদের বঙ্গ বাসী বুদ্ধিজীবী ও আইনজীবী এই বিষয়ে মোটেই আলোকপাত করেন নি। তার জন্য দফায় দফায় সরকার বিভিন্ন নির্দেশনা  দিয়ে আসাম রাজ্য কে পার্বত্য রাজ্যের মর্যাদা দিতে এগোচ্ছে সে বিষয়ে বিভিন্ন দল সংগঠনের নেতারা  দিবা নিদ্রায় শায়িত আছেন বলে মনে করছেন তিনি।